Posts

করোনার থাবা এবার হুগলি জেলার শেওড়াফুলিতে।

করোনার থাবা এবার হুগলি জেলার শেওড়াফুলিতে।  রাজ্যে কোরোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে আরও 1। রাজ্যের হুগলি জেলায় প্রথম কোন ব্যক্তি কারোনা আক্রান্ত। হুগলি জেলার শেওড়াফুলির 59 বছরের  এক পৌর এই মারোক রোগে আক্রান্ত। 28 শে মার্চ সর্দি-কাশিতে ভুগে এই পৌর হাসপাতালে ভর্তি হন। তার বিভিন্ন রিপোর্ট পরীক্ষা করার পর জানা যায় যে তিনি নোভেল করোনা ভাইরাস আক্রান্ত। স্বাস্থ্য দপ্তর সহ প্রায় সকলেই এই চিন্তায় চিন্তিত যে তার এই রোগ হল কিভাবে কেননা অতীতে তার বিদেশ ভ্রমণের কোন  ইতিহাস নেই তাছাড়া ওই এলাকার আর অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে এই মারাত্মক ভাইরাস থাকার কোনো রিপোর্ট এখন অব্দি পাওয়া যায়নি।তিনি প্রায় প্রতিদিনই ট্রেনে করে তার কর্মস্থল দুর্গাপুরে যাতায়াত করতেন। এই বিষয়টি সকলকেই ভাবাচ্ছে যে যদি তার এই রোগ ট্রেনে যাতায়াত এর ফলে হয়ে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই এই রাজ্যের কিংবা জেলার আরো অনেক ব্যক্তির  এই মারাত্মক রোগ হয়ে থাকতে পারে। তাই ওই অঞ্চলের তথা সকলকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে যে দয়া করে বাড়ি থেকে কেউ বের হবেন না। লকডাউনকে কেউ হালকা ভাবে নেবেন না এই নোভেল করোনা ভাইরাসকে আটকাতে একমাত্র উপা...

500 কোটি দান

ভারত এবং বিশ্বজুড়ে বর্তমান পরিস্থিতি মারাত্মক উদ্বেগের তাই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।  টাটা ট্রাস্ট এবং টাটা গ্রুপ সংস্থাগুলি জাতির প্রয়োজনে বেড়েছে।  এই মুহুর্তে প্রয়োজন অন্য সময়ের চেয়ে বেশি।  এই কঠিন সময়ে, আমি বিশ্বাস করি যে COVID 19 সংকট মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলায় জরুরি জরুরি সংস্থাগুলির সাহায্য করা দরকার  আজ, টাটা ট্রাস্টগুলি সমস্ত ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রেখেছে এবং এর জন্য 500 কোটি টাকা দিচ্ছে: প্রথম সারিতে চিকিৎসা কর্মীদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম এবং মাথাপিছু পরীক্ষার বৃদ্ধির জন্য টেস্ট কিটগুলি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চিকিত্সার জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থাগুলি সংক্রামিত রোগীদের জন্য মডুলার চিকিত্সার সুবিধা স্থাপন এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের এবং সাধারণ জনগণের জ্ঞান পরিচালনা এবং প্রশিক্ষণ • টাটা ট্রাস্ট, টাটা সন্স এবং টাটা গ্রুপ সংস্থাগুলি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ স্থানীয় এবং  বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের পাশাপাশি সরকার সংযুক্ত জনস্বাস্থ্য সহযোগিতা প্ল্যাটফর্মে এই সংকট মোকাবিলার জন্য যা সুবিধাবঞ্চিত ও বঞ্চিত বিভাগগু...

রাজ্যে প্রথম কোন চিকিৎসক কারোনায় আক্রান্ত।

রাজ্যে প্রথম কোন চিকিৎসক কারোনায় আক্রান্ত।    রাজ্যের এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো রাজ্যের প্রথম  কোনো চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত।আলিপুরের কামান্ড হাসপাতালের চিকিৎসক এখন করোনায় আক্রান্ত। নাইসেড এর রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাচ্ছে যে এই চিকিৎসক পশ্চিমবঙ্গের প্রথম করোনা আক্রান্ত চিকিৎসক। সারা ভারত এবং সারা বিশ্বে দেখা গিয়েছে যে প্রায় 25% চিকিৎসক এই রোগে আক্রান্ত হয়, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কোন চিকিৎসক এই রোগে আক্রান্ত হলেন। নাইসেড সূত্রে জানা যাচ্ছে যে আনাস্তেসিযয়োলজিস্ট হিসাবের যে সমস্ত চিকিৎসকরা থাকেন তারা রোগীর খুব ক্লোজ কন্টাক্ট এ যান, এবং সে ক্ষেত্রে তিনি বিভিন্ন রকম প্রোটেকশন ব্যবহার করলেও এই নোবেল করোনাভাইরাস তার শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে এসে পৌঁছায়। নাইসেড এর কাছ থেকে এই রিপোর্ট পাওয়ার পরই, এই খবর স্বাস্থ্য দপ্তর রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে জানানো হয়েছে। যেহেতু এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা তাই সকলেই চিন্তায় আছেন যে যদি চিকিৎসকরাও এইভাবে আক্রান্ত হতে থাকেন তাহলে সাধারণ মানুষের পাশে কে দাঁড়াবে?

প্রোচেস্টা প্রকোল্পো

  পুরো দেশজুড়ে চলছে লকডাউন,আর এই লকডাউন এর জেরেই বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শ্রমজীবী মানুষ।আর এই আটকে পড়া মানুষজন দের জন্যই রাজ্য সরকার চালু করেছে স্নেহের পরশ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে আটকে পড়া যে কোন রকম স্রমজিবি ব্যাক্তি আবেদন করতে পারবেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে আটকে থাকা সকল শ্রমজীবী ব্যক্তিকে 1000 টাকা করে অনুদান হিসেবে দেবে রাজ্য সরকার ।এই প্রকল্পের জন্য আপনারা কিভাবে আবেদন জানাবেন তার বিষয়ে একটি ভিডিও করে দেওয়া  হল। এই প্রকল্পের আবেদন জানানোর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি স্মার্টফোনের এ স্মার্টফোনের দ্বারাই আপনি এই প্রকল্পের আবেদন জানাতে পারবেন। এবিষয়ে বলে রাখা প্রয়োজন যে যদি আপনি পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থেকে থাকেন তবেই আপনি এই প্রকল্পের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে থেকে আপনি প্রকল্পের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন না। আপনার মোবাইল নাম্বার,আধার কার্ড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সাবমিট করে আপনি এই প্রকল্পের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। একটি মোবাইল নাম্বার থেকে একজন মাত্র আবেদন জানাতে পারবেন।

ঘন্টেশ্বর ইলেকট্রিক চুল্লিতে রাতারাতি কাউকে না জানিয়ে মৃত করোনা রোগীকে দাহ করার অভিযোগ।

ঘন্টেশ্বর ইলেকট্রিক চুল্লিতে রাতারাতি কাউকে না জানিয়ে মৃত করোনা রোগীকে দাহ করার অভিযোগ। ওই ঘটনার একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।  সূত্র মারফত জানা গেছে যে ঘন্টেশ্বর ইলেকট্রিক চুল্লিতে রাতারাতি এক মৃত করোনা রোগীকে নিয়েএসে দাহ করার অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা যাচ্ছে যে রাতের অন্ধকারে তিনটে তিরিশ মিনিটের সময় ওই মৃত দেহ কে নিয়ে আসা হয়েছিল। এই ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘন্টেশ্বর ইলেকট্রিক চুল্লির ইনচার্জ কে ঘিরে বিক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা জানান কোনরকম কাগজপত্র না দেখে ওই মৃত দেহকে রাতের অন্ধকারে দাহ করা হয়েছিল। তাছাড়াও ওই মৃতদেহের সঙ্গে তার পরিবারের কোন ব্যক্তি আসেননি। ওই ঘটনার একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

আরামবাগ দৌলতপুরে করোনা রোগীদের সৎকারের অগ্রিম প্রস্তুতি।

আরামবাগ দৌলতপুরে করোনা রোগীদের সৎকারের অগ্রিম প্রস্তুতি।   সোমবার আরামবাগ দৌলতপুর রেল ব্রিজের পাশের খালি মাঠে ওই এলাকার প্রায় সকল বাসিন্দা বিক্ষোভের জন্য জড়ো হন। তাদের অভিযোগ করোনা রোগীদের সৎকারের জন্য বা কবর দেয়ার জন্য ওই এলাকায় J. C. B. করে গর্ত খোরা হচ্ছে এবং ওই এলাকাকে পরিষ্কার করা হচ্ছে। তা দেখে ওই এলাকার  সকল বাসিন্দারা কোনরকম লকডাউন বা সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স না মেনে  বিক্ষোভে ভেঙে পড়েন এবং ওই এলাকায় জড়ো হন। তাদের দাবি কোনো মতেই ওই এলাকায় করোনা রোগীদের সৎকার বা কবরস্থ করার জন্য কোন কাজই করা যাবে না। তারা সকলেই পুলিশ প্রশাসনকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। তাদের মতে এই স্থানে যদি কোন রোগীদের শতকরা দাহ করা হয় তাহলে এই এলাকায় করনা সংক্রমণ আরো বাড়বে তাছাড়া এই অঞ্চলে চাষী রা চাষবাস করে তাই তাদের মতে কোনো ভাবেই এই এলাকায় এই কাজ করা যাবে না। ওই অঞ্চলের স্থানীয় যিনি কাউন্সিলর রাজেশ চৌধুরী তিনি ওই ঘটনার মধ্যে ওখানে উপস্থিত হলে তাকে ঘিরে এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তাকে নানান প্রশ্ন করতে থাকেন। রাজেশ চৌধুরীর সাথে কথা বলে জানা যায় বিশেষত মুসলিম ধর্মের জন্...