500 কোটি দান
ভারত এবং বিশ্বজুড়ে বর্তমান পরিস্থিতি মারাত্মক উদ্বেগের তাই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। টাটা ট্রাস্ট এবং টাটা গ্রুপ সংস্থাগুলি জাতির প্রয়োজনে বেড়েছে। এই মুহুর্তে প্রয়োজন অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। এই কঠিন সময়ে, আমি বিশ্বাস করি যে COVID 19 সংকট মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলায় জরুরি জরুরি সংস্থাগুলির সাহায্য করা দরকার আজ, টাটা ট্রাস্টগুলি সমস্ত ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রেখেছে এবং এর জন্য 500 কোটি টাকা দিচ্ছে: প্রথম সারিতে চিকিৎসা কর্মীদের জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম এবং মাথাপিছু পরীক্ষার বৃদ্ধির জন্য টেস্ট কিটগুলি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চিকিত্সার জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থাগুলি সংক্রামিত রোগীদের জন্য মডুলার চিকিত্সার সুবিধা স্থাপন এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের এবং সাধারণ জনগণের জ্ঞান পরিচালনা এবং প্রশিক্ষণ • টাটা ট্রাস্ট, টাটা সন্স এবং টাটা গ্রুপ সংস্থাগুলি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ স্থানীয় এবং বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের পাশাপাশি সরকার সংযুক্ত জনস্বাস্থ্য সহযোগিতা প্ল্যাটফর্মে এই সংকট মোকাবিলার জন্য যা সুবিধাবঞ্চিত ও বঞ্চিত বিভাগগুলিতে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা করবে। আমরা এই মহামারীটির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তাদের জীবন ও সুরক্ষার ঝুঁকি নিয়েছে এমন সদস্য সংগঠনের প্রতিটি ব্যক্তির জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং আমরা তাদের প্রতি প্রচুর শ্রদ্ধা জানাই।
গোটা বিশ্বের এখন একটাই সমস্যা নোভেল করোনাভাইরাস বা COVID 19। এই ভাইরাস রুখতে এবং এর ভ্যাকসিন তৈরি করতে বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এবং এই কাজে আশার আলো দেখিয়েছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যে জানা যাচ্ছে যে, হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করতে অনেকটাই সক্ষম হয়েছে। তাদের গবেষণা যদি সফল হয় তাহলে এই ভাইরাস রুখতে খুব একটা সমস্যা হবে না। এবং তাদের গবেষণা যদি সফল হয় তাহলে সারা বিশ্বকে করোনার হাত থেকে বাঁচাতে ভারতই। হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের এক অধ্যাপক এই গবেষণা চালাচ্ছেন যদি তার গবেষণা সফল হয় তাহলে সাড়া বিশ্ব করানোর হাত থেকে বেঁচে যাবে। অপরদিকে যেখানে হু বলেছে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করতে প্রায় 12 থেকে 18 মাস সময় লাগবে সেখানে ভারতীয় বিজ্ঞানীরা প্রায় এই কাজ করে দেখিয়েছে।
Comments
Post a Comment